Travel

ফেনী

stock-photo-171859023

রাজধানী ঢাকা থেকে ১৬১ কিলোমিটার দূরের ফেনী জেলার আয়তন ৯২৮ বর্গ কিলোমিটার । এ জেলার পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা, উত্তরে কুমিল্লা জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা প্রদেশ, দক্ষিণ-পূর্বে চট্টগ্রাম জেলা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত ।

১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে ফেনী মহকুমাকে মানোন্নীত করে জেলায় রূপান্তর করা হয় । এর পূর্বে এটি নোয়াখালী জেলার একটি মহকুমা ছিল । এ মহকুমার গোড়াপত্তন হয় ১৮৭৫ খ্রিষ্টাব্দে মীরসরাই, ছাগলনাইয়া ও আমীরগাঁও এর সমন্বয়ে । পরবর্তীতে এটি ফেনী থানা নামে পরিচিত হয়। অতঃপর ১৮৭৬ সালে নতুন মহকুমার পত্তন হলে খাইয়ারা থেকে থানা দপ্তরটি মহকুমা সদরে স্থানান্তরিত হয় ও নতুন মহকুমাটি ফেনী নামে পরিচিত হয় । 

নামকরণ

ফেনী নদীর নামানুসারে এ অঞ্চলের নাম রাখা হয়েছে ফেনী । মধ্যযুগে কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় একটি বিশেষ নদীর স্রোতধারা ও ফেরী পারাপারের ঘাট হিসেবে ফনী শব্দটার  ব্যবহার পাওয়া যায় । ষোড়শ শতাব্দীতে কবি কবীন্দ্র পরমেশ্বর উল্লেখ করেন: “ফনী নদীতে বেষ্টিত চারিধার, পূর্বে মহাগিরি পার নাই তার ।” এবং সতের শতকে মির্জা নাথানের ফার্সী ভাষায় রচিত বাহরিস্তান-ই-গায়েবীতে ফনী শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে ফেনী-তে রূপান্তরিত হয় ।

ফেনীতে রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার নানা নির্দশন । ফেনীর পূর্ব দিকে আদিকালে শিকারী মানুষের প্রথম পদচিহ্ন পড়েছিল । এর প্রমান মেলে ছাগলনাইয়াতে ১৯৬৩ সালে একটা পুকুর খননকালে পাওয়া নব্য প্রস্তর যুগের মানুষের ব্যবহৃত একটা হাতকুড়াল থেকে । ফেনী নদীর তীরে রঘুনন্দন পাহাড়ের পাদদেশে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বীর বাঙ্গালী শমসের গাজীর রাজধানী ছিল । তিনি এখান থেকেই যুদ্ধাভিযানে গিয়ে রৌশনাবাদ রাজ্য ও ত্রিপুরা রাজ্য জয় করেন । ফেনী একটি ছোট জেলা হলেও গৌরব ও শৌর্য বীর্যে ফেনী বীর সন্তানদেরই জন্মভূমি । এখানে রয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নানা কাহিনী । রয়েছে নানা দর্শনীয় স্থান । 

দর্শনীয় স্থানসমূহঃ

বিজয় সিংহ দিঘী

বাংলার বিখ্যাত সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা বিজয় সিংহ এ দীঘি খনন করেন বলে এর নামকরণ করা হয় বিজয়সিংহ দিঘী । মহিপাল থেকে ২ কিঃমিঃ দক্ষিণপুর্বে এই দিঘী অবস্থিত । এর আয়তন প্রায় ৩৭.৫৭ একর । দিঘীর চৌপাড় খুব উঁচু ও বৃক্ষ শোভিত । এ জেলায় এরকম বেশকিছু ঐতিহাসিক দিঘী রয়েছে । সকালের মৃদুহাওয়া, দুপুরের কোমল ছায়া কিংবা বিকেলের একখন্ড অবসর এখানে আপনার মনকে শোভিত করবে নিমিষেই । প্রাকৃতিক নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি একে কৃত্রিম উন্নয়ন এরও পরশ দেয়া হয়েছে ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনীর মহিপাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রিকসা বা অটোতে করে ফেনী সার্কিট হাউসের সামনে যেতে হবে । সেখান থেকে অটোতে জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় যাওয়া যায় বিজয় সিংহ দীঘি ।

রাজাঝীর দীঘী বা লালদিঘী

ফেনী শহরের প্রাণ কেন্দ্রে এ দিঘীর অবস্থান । হিন্দু ধর্মের পুরাণ অনুযায়ী ত্রিপুরা মহারাজার প্রভাবশালী একজন রাজার কন্যার অন্ধত্ব দুর করার মানসে আজ থেকে ৭ শত বছর পূর্বে এ দীঘি খনন করেন । এজন্য এই দিঘীকে রাজার ঝির দিঘী বা রাজাঝির দিঘী নামে ডাকা হয় । এটির বর্তমান নাম অবশ্য লালদিঘী-তে রূপান্তরিত করা হয়েছে । ১০ একর বিশিষ্ট এর পাড় জোড়েই রয়েছে ছোট একটা শিশু পার্ক । নগরের কোলাহলের মধ্যেই এ পার্ক ও দীঘি যেন এক খন্ড শান্তির পরশ ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনীতে শহর থেকে লালদিঘী বললে যেকোনো রিক্সা নিয়ে যাবে । ভাড়া পড়বে মাত্র ২০ টাকা ।

শিলুয়ার শীল পাথর

ছাগলনাইয়া উপজেলায় শিলুয়া গ্রামে এক প্রাচীন শিলামূর্তির ধ্বংসাবশেষ রয়েছে । এর শিলা পাথরের কারণেই গ্রামের নাম হয় শিলুয়া । শিলামুর্তির গায়ে খৃষ্টপূর্ব দ্বিতীয় অব্দে প্রচলিত ব্রাক্ষ্মী হরফের লিপি রয়েছে । এর থেকে এখানে যে আর্য সভ্যতা বিকাশ হয়েছিল তার প্রমাণও পাওয়া যায় । এরকম ছোট ছোট কিছু নির্দশন ফেনীকে অনন্য উচ্চতায় উচ্চসিত করেছে ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী থেকে প্রথমে ছাগলনাইয়া উপজেলায় যেতে হবে । সেখান থেকে রিকসা বা সিএনজিতে শিলুয়া গ্রামে যাওয় যাবে ।

চাঁদগাজী মসজিদঃ

মোগল আমলের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন চাঁদগাজী ভূঞা । ছাগলনাইয়ায় চাঁদগাজী বাজারের কাছে মাটিয়া গোধা গ্রামে অতীত ইতিহাসের সাক্ষী হিসাব অবস্থান করছে এ মসজিদ । মধ্যযুগের রীতি অনুযায়ী নির্মিত এই মসজিদে ব্যবহার করা হয়েছে চুন, সুরকী ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইট । মধ্যযুগীর রীতিতে নির্মিত এই মসজিদের দেয়ালগুলো বেশ চওড়া । মসজিদের ছাদের উপর তিনটি সুদৃশ্য গম্বুজ রয়েছে । মসজিদের সামনে একটি কালো পাথরের শিলালিপি রয়েছে । এই লিপি অনুযায়ী এ মসজিদের নির্মানকাল ১১১২ হিজরী ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী থেকে বাস বা সিএনজি করে প্রথমে যেতে হবে ছাগলনাইয়া । সেখান থেকে সিএনজি করে যেতে হবে চাঁদগাজী বাজার । 

শমসের গাজীর দীঘিঃ

বীর শমসের গাজী তার মাতার নামে এ দীঘি খনন করলেও এটা এখন শমসের গাজীর দিঘী হিসেবে পরিচিত । এ দীঘি ছাগলনাইয়া উপজেলা সদরের নিকটবর্তী ভারতীয় সীমান্তের কাছে সোনাপুর গ্রামে অবস্থিত । ৪.৩৬ একর আয়তনের এ দীঘির এক তৃতীয়াংশ ভারতের অভ্যন্তরে পড়েছে ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী শহর থেকে ছাগলনাইয়া আসতে হবে । তাপর সিএনজি দিয়ে যেতে হবে শমসের গাজীর দীঘিতে । 

সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্প

সরকারী উদ্যোগে এবং জাপানের সহযোগিতায় প্রথম ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে সোনাগাজী মুহুরী সেচ প্রকল্পটি শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয় । সোনাগাজীতে অবস্থিত এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প । সিডা, ইইসি, বিশ্বব্যাংকের অর্থ সহায়তায় জাপানের সিমুজু কোম্পানী ১শ ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেচ প্রকল্প নির্মাণ করে । এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর ২০ হাজার হেক্টর এলাকায় সেচ সুবিধা এবং ২৭ হাজার হেক্টর এলাকা সম্পুরক সেচ সুবিধার আওতায় আসে । বর্তমানে মুহুরী সেচ প্রকল্পকে ঘিরে গড়ে ওঠেছে বিনোদন ও পিকনিক স্পট । মুহুরীর জলরাশিতে নৌভ্রমণের সময় খুব কাছ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির হাঁস এবং প্রায় ৫০ জাতের হাজার হাজার পাখির দেখা পাওয়া যায় ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী লালপোল হতে বাস যোগে সোনাগাজী উপজেলা আসতে হবে । অত:পর সোনাগাজী উপজেলা হতে বাস যোগে বাদামতলী যেতে হবে । বাদামতলী হতে রিক্সা যোগে এখানে পৌঁছা যায় । 

ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার স্মৃতি জাদুঘর

ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম ১৯৫২ সালে ঢাকায় তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের শিল্প বিভাগে পিয়নের চাকরি করতেন । ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের সম্মুখে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিক্ষোভকালে পুলিশের গুলিতে আহত হন । ১৯৫২ সালের ০৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন । ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয় । ভাষা শহীদ আব্দুস সালামের স্মৃতি রক্ষার্থে সালামনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর । ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় এর অবস্থান।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনীর মহিপাল মোড় থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে ফেনী-নোয়াখালী সড়কের ডান পাশে মাতুভূঞা ব্রিজের কাছেই সালামনগর -এ ভাষা শহীদ আবদুস সালাম গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর আবস্থিত। ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের মহিপাল মোড় থেকে মাত্র ১০ টাকা বাস ভাড়ায় এখানে যাওয়া যাবে । 

নিহাল পল্লী, ফেনী

ফেনী থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামের কাছাকাছি কসকা বাজার সংলগ্ন ফেণী নিহাল পল্লী । আশপাশের লোকদের কাছে এটি পরশ পাথর । ঘরোয়া পিকনিক বা চড়ুইভাতি করতে অনেকেই এখানে আসে । এখানে রয়েছে বাচ্চাদের চড়ার জন্য ট্রেন । আছে বিশাল একটি পুকুর ও কয়েকটা বানর । এখানকার প্রবেশমূল্য ২০টাকা । ছায়া সুনিবিড় গ্রামের পাশ দিয়ে আরেক ছায়াবীথিতল ।

গ্রামীন ছায়াশীতল, নিরিবিলি পরিবেশে আরো আছে বিভিন্ন বিনোদন রাইড । রেলগাড়ী, হাঁস পংখী নৌকা, ঘুরন্ত চেয়ার, মেরী গো রাউন্ড সহ রয়েছ পারিবারিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক পিকনিক এবং সামাজিক অনুষ্ঠান অায়োজনের সু-ব্যবস্হা । রয়েছে বেশকিছু দৃষ্টিনন্দন ভাষ্কর্য । ভাস্কর্যগুলো পেশাদারী শিল্পীরা তৈরী করেনি বলে দেখে অদ্ভুৎদর্শন মনে হতে পারে । তবুও এ ধরনের একটি উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তাকে সাধুবাদ জানানো যায় ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী থেকে বারইয়ার হাট বা চট্টগ্রামগামী বাসে বা সিএনজিতে করে কসকা বাজার যেতে হবে । কসকা বাজার থেকে পাঁয়ে হেঁটে যাওয়া যায় নীহাল পল্লী । 

দুধমুখা নলদিয়া মেলা দেওয়ান আবদুর রশিদ এর মাজার

সূদূর ইয়েমেন থেকে আসা ধর্মপ্রচারক দেওয়ান আবদুর রশিদ এর মাঝারকে ঘিরে প্রতিবছর ১লা মাঘ থেকে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই মেলা । বিশাল এই মেলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস থেকে সব কিছু পাওয়া যায় ।  এখানে কি বিক্রি হয় এটা বলার চেয়ে এটা বলা সহজ এখানে কি বিক্রি হয়না । আশির দশক থেকে ফার্নিচার বিক্রির জন্য এই মেলার প্রসিদ্ধি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে । মেলার সময় দেশের বিভিন্নএলাকা থেকে ট্রাকভর্তি কাঠের ফার্নিচারের লাইন রাস্তায় কয়েক কিলোমিটার দূরে চলে যেত । গত ৪/৫ বছর ধরে এই মেলা তার জৌলুস হারিয়ে ফেলেছে । নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও সেনবাগ এবং ফেণীর দাগনভূঞা এই তিন উপজেলার মিলনস্থলে অনুষ্ঠিত হয় মেলাটি । স্থানীয় মুরুব্বীদের বক্তব্য অনুযায়ী তারা তাদের বাপ দাদার কাছ থেকে শুনেছেন এই মেলার বয়স হাজার বছরের কম নয় ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী থেকে বসুরহাট গামী বাসে উঠে দুধমুখা বাজারে নামতে হবে এখান থেকে রিকসায় বা অটোতে করে মেলায় যাওয়া যায় ।

দুধমূখা পীর সাহেবের মাজার বাড়ী

মাওলানা ইছহাক (র) সারাদেশে যার অগনিত ভক্ত মুরিদান ছড়িয়ে দাগনভূঞা উপজেলার দুধমুখা এলাকায় ইয়াকুব পুর গ্রামে তার নিজ বাড়ীর দরজায় তিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন মাদ্রাসা ও মসজিদ ও এতিমখানা । জনশ্রুতি আছে মাওলানা সাহেবের মৃত্যুর পর তাকে সমাহিত করার সাথে সাথে তার কবরটি এটি চৌচালা ঘরের মতো হয়ে উঁচু হয়ে যায় । অনেকের মতে আগের দিন দাফন করার পর পরের দিন এসে দেখেন যে এটি ঘরের মতো উঁচু হয়ে আছে এবং সেভাবেই তার সমাধি আজো আছে । অনেকেই নিজেকে এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বাপ দাদার কাছে শুনেছেন বলে বলে দাবী করেন ।

কিভাবে যাবেনঃ

ফেনী থেকে বসুরহাট গামী বাসে উঠে দুধমুখা বাজারের আগে নতুন পুল নামতে হবে । এখান থেকে রিক্সায় এতিম খানা বাজার যেতে হবে । অথবা মহিপাল থেকে রিজার্ভ সিএনজিতে করেও আসা যাবে । ভাড়া নেবে ২০০ টাকা ।

কোথায় থাকবেন

ফেনীতে থাকার জন্য রয়েছে সরকারী রেস্টহাউস ও বাংলো । এছাড়া ফেণী শহরে মোটামুটি মানের বেশকিছু হোটেল রয়েছে । আরো ভালো পরিবেশে থাকতে চাইলে ফেণীর নিকটবর্তী কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে অবস্থিত ভিটা ওয়ার্ল্ডে থাকতে পারবেন । আপনার পছন্দের যেকোন হোটেল নিমিষেই বুকিং দিতে ভিজিট করুন www.amarroom.com

5700488590_a1ac040639_h
Travel

কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহার

শালবন বিহারঃ ইতিহাস বিষয়ে জানতে ইচ্ছুক ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শনগুলো বরাবরই পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে । এরকমই...

6051914081_8469c89ea7_b
Travel

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী !

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা । বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এই জেলাটি শিক্ষা ও সংস্কৃতির পীঠস্থান...

chadpur2
Travel

ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুর !

ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল । পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে...

guliakhali2
Travel

গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত

গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতঃ মুরাদপুর সৈকত নামে পরিচিত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর সৈকত গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত ।  এটি...

lal paharb
Travel

ছাতক উপজেলা, বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি ।

ছাতক উপজেলাঃ  বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ছাতক উপজেলা বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি । এই উপজেলায় রয়েছে অসংখ্য অতীব সুন্দর...

nilgiri2
Travel

নীলগিরি, পাহাড়ের মাঝে আঁকাবাঁকা রাস্তা !

নীলগিরিঃ প্রকৃতি ও রোমাঞ্চপ্রেমিদের প্রথম পছন্দ বান্দরবান । বিশাল বৈচিত্র্যময় পর্যটনভূমি বান্দরবান জেলায় রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান । বৈচিত্র‍্যে...