Travel

ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুর !

chadpur2

ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুর জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল । পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে এ জেলার অবস্থান । 

রাজধানী ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ৯৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদর থেকে প্রায় ২০৮ কিলোমিটার । এ জেলার দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর জেলা ও

নোয়াখালী জেলা, পূর্বে কুমিল্লা জেলা, উত্তরে কুমিল্লা জেলা,

মেঘনা নদী ও মুন্সিগঞ্জ জেলা এবং পশ্চিমে মেঘনা নদী । পদ্মা ও মেঘনা নদী দুটি চাঁদপুর শহরের কাছে এসে মিলেছে ।

নামকরণ   ইতিহাস

১৮৭৮ সালে ত্রিপুরা জেলা যে তিনটি মহকুমা নিয়ে গঠিত হয়, তার মধ্যে চাঁদপুর অন্যতম । ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর জেলায় উন্নীত হয় ।

বার ভূঁইয়াদের আমলে চাঁদপুর অঞ্চল বিক্রমপুরের জমিদার চাঁদরায়ের দখলে ছিল । এ অঞ্চলে তিনি একটি শাসনকেন্দ্র স্থাপন করেছিলেন । ঐতিহাসিক জে এম সেনগুপ্তের মতে, চাঁদরায়ের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে চাঁদপুর ।

অন্যমতে, চাঁদপুর শহরের পুরিন্দপুর মহল্লার চাঁদ ফকিরের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম হয় চাঁদপুর । কারো মতে, শাহ আহমেদ চাঁদ নামে একজন প্রশাসক দিল্লী থেকে পঞ্চদশ শতকে এখানে এসে একটি নদী বন্দর স্থাপন করেছিলেন । তার নামানুসারে নাম হয়েছে চাঁদপুর । 

বর্তমান চাঁদপুর প্রাচীন বঙ্গে সমতট রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত ছিল । খ্রিস্টিয় সপ্তম শতাব্দীর দ্বিতীয় পাদের শেষ দিকে চৈনিক পরিব্রাজক ওয়ান চোয়াঙ সমতট রাজ্যে আগমন করেছিলেন বলে তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্তে পাওয়া যায় । তিনি সমতটকে সমুদ্র তীরবর্তী নিম্ন আদ্র-ভূমি রূপে বর্ণনা করেছেন যা এই অঞ্চলকে বুঝায় । প্রাচীন বাংলার গুপ্ত পাল ও সেন রাজবংশের রাজারা এই অঞ্চল শাসন করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় । তবে এলাকার কোনো স্বতন্ত্র আদি নাম সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি ।

ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খিলজী কর্তৃক বঙ্গ বিজয়ের পর সমগ্র বাংলা মুসলিম শাসনের অধিকারে আসার সাথে সাথে এ অঞ্চলও স্বাভাবিকভাবে মুসলিম শাসনের অন্তর্ভূক্ত হয় । 

দর্শনীয় স্থানসমূহ

তিন নদীর মোহনা বা মিনি কক্সবাজার

চাঁদপুর জেলায় পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত একটি পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে মিনি কক্সবাজার । এটি নদীকেন্দ্রীক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র । এর চারদিকে নদী হওয়ায় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের মতো দেখায় তাই পর্যটকরা এর নাম দিয়েছেন  মিনি কক্সবাজার। স্থানীয়ভাবে বালু চর, পদ্মার চর ও মেঘনার চর নামেও এটি সুপরিচিত । বেসরকারিভাবে ‘স্বপ্ন ট্যুরিজম’ এ পর্যটন কেন্দ্রটি পরিচালনা করে।

চাঁদপুর ত্রিনদী মোহনা বড়স্টেশন মোলহেড থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থলের দক্ষিণ পূর্ব অংশে এর অবস্থান । নদীপৃষ্ঠ থেকে কিছুটা উঁচু হওয়ায় শুষ্ক ও বর্ষা মৌসুমের ভরা জোয়ারেও এটির পুরো অংশ পানিতে ভেসে যায় না । বছরজুড়ে পর্যটকদের আনাগোনা থাকে এখানে । নদী ভাঙ্গন আর গড়ার মধ্যেই প্রাকৃতিকভাবে উৎপত্তি হওয়া এ স্থানটি ২০১৮ সালের শুরুর দিক থেকে ধীরে ধীরে দেশব্যাপি মানুষের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে ।

চারদিকে নদী ও দূর থেকে স্থানটি দক্ষিণ পূর্বাংশে চাঁদপুর জেলা শহরকে এবং এর বিপরীত দিকে ছোট আকৃতিতে শরীয়তপুর জেলাকে অনুধাবন করা পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ । শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের আগ পর্যন্ত এ পর্যটন কেন্দ্রের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে বিশেষ ভাবে । এসময়টা ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের মন কাড়ে । এ স্থানটি পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থলে অবস্থান হওয়া দু’দিকে মেঘনা ও পদ্মার বিস্তীর্ণ জলরাশির ছোট ছোট ঢেউ আর বালুকাময় বিস্তীর্ণ চরের সৌন্দর্য উপভোগ করতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পর্যটকরা এখানে ভিড় করে । দর্শনার্থীরা এখান থেকে ভোরের সূর্যোদয় দেখতে দেখতে হারিয়ে যান অন্য জগতে । অনেকে আবার বিকেলে এসে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখতে দেখতে প্রশান্তি আনেন মনে প্রাণে । দু’দিক থেকে দু’নদীর ছোট ছোট ঢেউ আছড়ে পড়া, পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের ইলিশ ধরার দৃশ্য আর বিস্তীর্ণ বালির ফাঁকে সবুজ ঘাস মিনি কক্সবাজারকে দিয়েছে অনাবিল সৌন্দর্যের তকমা । এছাড়া জনপ্রিয় স্থানটিতে পর্যটকদের জন্যে মেঘনা ও পদ্মা নদীর মিঠা পানিতে সাঁতারের পাশাপাাশিও গোসলের সুযোগ রয়েছে । তবে সাতার না জানলে পানিতে বেশি দূর না যাওয়াই ভাল । 

হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ

যাদের ঘুরাঘুরির তালিকায় প্রথম দিকে থাকে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শম এবং প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সমূহ, তাদের জন্য হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ হতে পারে সোনায় সোহাগা । চাঁদপুর জেলার একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান হলো হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ ।

মসজিদটি চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ বাজারের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত । উপমহাদেশের বৃহৎ মসজিদ গুলোর একটি এই হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ স্থাপত্যশৈলী এবং অলঙ্করণ অন্তত চমৎকার ও দৃষ্টিনন্দন ।

১৩৩৭ বঙ্গাব্দে হাজী আহমদ আলী পাটোয়ারী মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তিনিই মসজিদটির প্রথম মোতওয়াল্লী । বাংলা একাদশ শতকের কাছাকাছি সময়ে মকিম উদ্দিন (র:) নামে এক বুজুর্গ অলিয়ে কামেল ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে পবিত্র আরব ভূমি হতে সপরিবারে চাঁদপুরের বর্তমান হাজীগঞ্জ অঞ্চলে আসেন । তারই বংশের কৃতি পুরুষ এই হাজী আহমাদ আলী পাটোয়ারি ।

প্রায় ২৮৪০৫ বর্গফুটের এই মসজিদটির ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১০০০০ জন মুসল্লি । আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম মসজিদ । এছাড়া জুমাতুল বিদা’র বৃহত্তম জামাতের মসজিদ হিসেবে খ্যাত এই পবিত্র স্থাপনাটি ।

মসজিদটি নির্মানকালের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, নির্মাণ কালীন সময়ে এই এলাকায় কোন ইট ভাটা না থাকায় তিনি এখানে রেল লাইনের পাশে ইটভাটা তৈরি করেন । ইট ভাটাটি আজোও সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায় । এছাড়া হাজী আহমদ আলী পাটোয়ারি জাহাজ ভাড়া করে কলকাতা থেকে লোহার ভীম ও মর্মর পাথর নিয়ে আসেন মসজিদ তৈরির জন্য । দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটির নির্মাণ এবং অলঙ্করণে ইট, টেরাকোটা ও টাইলস এর অসাধারণ ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায় । এছাড়া দুতলা বিশিষ্ট বিশাল এই মসজিদটিতে ২ টি গম্বুজ ও ১ টি মিনার রয়েছে । মিনারটির উচ্চতা ১৮৮ ফুট । সুদীর্ঘ এই মিনারে উঠার জন্য রয়েছে বিশাল সিঁড়ি । এখানে মসজিদটির পাশাপাশি রয়েছে আলীয়া মাদ্রাসা, হাফেজীয়া মাদ্রাসা, ফোরকানীয়া মাদ্রাসা ও গ্রন্থাগার । আলীয়া মাদ্রাসা ছাড়া বাকী মাদ্রাসাগুলো মসজিদ কমিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় ।

জানা যায়, মসজিদটির কাজ সমাপ্তির পর ১৩৪৪ সনের ১০ অগ্রহায়ণ প্রথম জুমার নামাজের আযান দেয়া হয় । উক্ত জুমার নামাজে উপস্থিত হন অবিভক্ত বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী একেএম ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, নওয়াব মোশারফ হোসেন ও নওয়াবজাদা খাজা নসরুল্লাহ্সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । উক্ত দিবসে নামাজের ইমামতি করেন পীরে কামেল আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আবুল বাশার জৈনপুরী (র:) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ।

তুলাতলী মঠ

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি চাঁদপুর জেলায় রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান । সেসব দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে তুলাতলী মঠ অন্যতম । প্রাচীন ইতিহাসের সাক্ষী ঐতিহাসিক তুলাতলী মঠটি চোখ জোড়ায় পর্যটকদের । আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে সেই সময়ের জমিদার যাত্রামনি মজুমদার এই মঠটি প্রতিষ্ঠা করেন ।  ৩০০ বছরের প্রাচীন তুলাতলী মঠের পূর্ব পাশে একটি প্রাচীন নৌপথ ছিলও । আঃ রব খন্দকারের দাদা জাহনী খন্দকার ১৮০২ সালে মঠটি ঝোঁপের মধ্যে দেখতে পেয়ে পুনঃসংস্কার করেন ।

চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের  তুলাতলী গ্রামের মনোরম পরিবেশে দশ শতক জায়গার উপর এই ঐতিহাসিক মঠটি অবস্থিত । এই মঠটির পাশে বায়াত্তর শতক জমির উপর রয়েছে নারায়ণ মন্দির । প্রতি বছর চৈত্র মাসে এখানে হাজার হাজার লোকের সমাগমে অনুষ্ঠিত হয় ঢোল উৎসব ।

এখানে যেতে হলে জেলা সদর থেকে বাসযোগে প্রথমে কচুয়া যেতে হবে । কচুয়া থেকে সিএনজি, অটোরিকশা অথবা মোটর সাইকেল করে যাওয়া যাবে মঠটিতে ।

রক্তধারা স্মৃতিসৌধঃ 

ইলিশের শহর রূপসী চাঁদপুরে ভ্রমণকাল আপনার ভ্রমণ তালিকায় রক্তধারা স্মৃতিসৌধ রাখতে ভুলবেন না । মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই সৌধটি একাত্তরের স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে ।

পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়ার মিলনস্থল চাঁদপুর বড় স্টেশনের মোলহেডে বধ্যভূমিতে অবস্থান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ রক্তধারার। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পর স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তরুণ প্রজন্মের উদ্যোগে ২০১১ সালে নির্মিত হয় ‘রক্তধারা’ । একাত্তরে মুক্তিকামী বাঙালিকে এখানে এনে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হতো । সে জন্যই এ বধ্যভূমিতে একটি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়, যার নাম রাখা হয় রক্তধারা । ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুর শহরের পশ্চিম প্রান্তে মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর মোহনায় পুরাণ বাজার এবং বড় স্টেশনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কয়েকটি নির্যাতন কেন্দ্র বা টর্চার সেল স্থাপন করে । নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার ও রেলগাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহনে যারা চাঁদপুরে পৌঁছতো, সন্দেহ হলে তাদেরকে আটকে রেখে এখানে নির্যাতন করা হতো । এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে স্বাধীনতাকামী নারী-পুরুষদের এ টর্চার সেলে এনে অমানবিক নির্যাতন করা হতো । নির্যাতন শেষে হাত-পা বেঁধে জীবন্ত, অর্ধমৃত বা হত্যা করে মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর খরস্রোতে ফেলে দিতো । ধারণা করা হয়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধরে আনা প্রায় পঞ্চাশ হাজার মানুষকে এখানে হত্যা করে মেঘনা নদী মোহনায় ফেলে দেওয়া হয়েছে । মানুষের রক্তস্রোত মেঘনা-ডাকাতিয়ার স্রোতে মিলিত হয়ে এখানে রক্তের বন্যা বয়ে যেত । বর্তমান প্রজন্মের জন্য সৌধটি একটি আলোকবর্তিকা । তাদের এই আত্মত্যাগকে চির অম্লান রাখতেই নির্মাণ করা হয়ে হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভটি ।

রক্তধারা’র স্থপতি চঞ্চল কর্মকার । একটি স্তম্ভে তিনটি রক্তের ফোঁটার প্রতিকৃতি দিয়ে বোঝানো হয়েছে রক্তের ধারা । টেরাকোটায় আঁকা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাষণসহ মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলীর চিত্র । অসাধারণ এই ভাস্কর্যটি দেখতে সারা দেশ থেকে অনেক পর্যটক ছুটে আসেন ।

চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে এই স্মৃতিস্তম্ভের দূরত্ব মাত্র ৭৫০ মিটার । চাইলে হেঁটেই যেতে পারবেন রাস্তাটুকু । এছাড়া রিকশা বা অটোরিকশাতে করেও যেতে পারেন । ঘাট থেকে ভাড়া নেবে জন প্রতি ১০ টাকা । এছাড়া চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্বর মোড় থেকেও রিক্সা, অটোরিকশা নিয়েও যাওয়া যায় । বাস স্ট্যান্ড থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২ কিমি ।

কিভাবে যাবেনঃ

চাঁদপুরে বাসে বা লঞ্চে যাতায়াত করা যায় । সবচেয়ে সহজ যাতায়ত মাধ্যম হলো লঞ্চে যাওয়া । ঢাকা সদরঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন অসংখ্য ভালো মানের লঞ্চ যাতায়াত করে ।

বাসে যেতে চাইলে সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে পদ্মা পরিবহন, আল আরাফাহ পরিবহন, রয়েল কোচ কিংবা বিলাস বাস দিয়েও যেতে পারবেন ইলিশের শহর চাঁদপুরে । 

কোথায় থকবেনঃ

চাঁদপুরে থাকার জন্য বেশ কিছু ভাল মানের হোটেল রয়েছে । পছন্দের হোটেল রুম বুকিং করতে ভিজিট করুন www.amarroom.com । 

amarroom