Travel

গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত

guliakhali2

গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতঃ

মুরাদপুর সৈকত নামে পরিচিত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর সৈকত গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত । 

এটি সীতাকুণ্ড উপজেলার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । অনিন্দ্য সুন্দর গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতকে অপরূপ সাজে সাজাতে প্রকৃতি কোন কার্পন্য করেনি । এর প্রকৃতি ও গঠনের দিক থেকে এটি অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে পুরোপুরি আলাদা । একদিকে দিগন্ত জোড়া জলরাশি, অন্যদিকে কেওড়া বন ।

কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূল দেখতে দেখতে হারিয়ে যাবেন অন্য কোন জগতে । সমুদ্রের অনেকটা গভীরে চলে যাওয়া এই বনটি অসাধারণ দৃশ্যের অবতারণা করে । এটি একই সাথে সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মতো দেখতে । অন্যান্য  সৈকতের মতো এখানে শুধু বালি নেই । সৈকত জোড়া সবুজ গালিচার মতো ঘাস এটিকে অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে করেছে অন্যন্য । এই সবুজের মাঝ দিয়েে এঁকে বেঁকে চলে গেছে সরু সরু নালা । নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে উঠে । আর শীতে তো কথাই নেই । পাখি, ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য সৌন্দর্য  দেখা যায় এই সমুদ্র সৈকতে ।

সৈকতটি স্বল্প পরিচিত বলে মানুষের আনাগোনা কম । ফলে সর্বদা এখানে থাকে নিরবিলি পরিবেশ । সাগরের মতো অতটা ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের সমুদ্র সৈকতটি দু’হাতে বিলিয়ে দিবে অনাবিল আনন্দ । সৈকত থেকে  চাইলে জেলেদের নৌকাতে সমুদ্রে ঘুরে দেখা যাবে । একই সাথে সমুদ্র দর্শন হবে সাথে মাছও ধরা হবে । 

কিভাবে যাবেনঃ

সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত এই সমুদ্র সৈকতে আসতে হলে প্রথমে আসতে হবে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড বাজারে । সরাসরি ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ডেআসা যাবে অথবা চাইলে চট্রগ্রাম হয়েও সীতাকুণ্ড আসা যাবে । 

ঢাকা থেকে সরাসরি সীতাকুন্ডে দুইভাবে আসা যায়-   ট্রেনে কিংবা বাস এ প্রথমে সীতাকুণ্ড আসতে হবে ।  ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড সরাসরি  মেইল ট্রেন রয়েছে । ভাড়া জনপ্রতি ১২০ টাকা ।  এছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনে প্রথমে ফেনী আসার পর সীতাকুণ্ড যেতে হবে । সেক্ষেত্রে শ্রেণী অনুযায়ী খরচ পড়বে ২৬৫ টাকা থেকে ৮০০ টাকা । 

তবে তুলনামুলকভাবে সহজ হলো বাসে যাতায়াত, যদিও খরচ ট্রেনের তুলনায় একটু বেশি ।  ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোনো এসি বা নন এসি বাসে খুব সহজে সীতাকুণ্ড আসা  যাবে এবং খরচ পড়বে জনপ্রতি ৪২০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা ।          

আবার চট্রগ্রাম থেকে সীতাকুণ্ড আসতে হলে 

 অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড় অথবা  কদমতলী থেকে বাসে করে সীতাকুণ্ড যাওয়া যাবে ।   

সীতাকুন্ড বাজার থেকে গুলিয়াখালী আসার জন্য সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত যাওয়া যাবে । গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত জনপ্রতি সিএনজি ভাড়া নিবে ৩০ টাকা, আর  রিজার্ভ নিলে ভাড়া পড়বে ১৫০-২০০ টাকা ।

ভাড়ার পরিমাণ অবশ্যই দরদাম করে ঠিক করে নিবেন । বীচ থেকে সীতাকুণ্ড ফিরে আসার জন্যে আগে থেকেই সিএনজি চালকের নাম্বার নিয়ে রাখতে পারেন অথবা আসা যাওয়াসহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন । সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় সিএনজি পাওয়া যায়না । 

কি খাবেনঃ 

সৈকতে খাওয়ার জন্য তেমন কোন সু-ব্যবস্থা নেই । শুকনো খাবার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে নিয়ে নিতে হবে । 

কোথায় থাকবেনঃ   

সৈকতের কাছে থাকার জন্য কোন আবাসিক হোটেল নেই। সীতাকুণ্ড বাজারে কিছু আবাসিক হোটেল আছে, যেখানে রাত্রিযাপন করতে পারবেন।। তবে ভালো কোথাও থাকতে চাইলে আপনাকে চট্টগ্রামে চলে যেতে হবে।

বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকতঃ

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সীতাকুণ্ডের খুব কাছে হওয়ায় যাওয়া আসা ও দেখার পরেও হাতে  অনেকটুকু সময় থাকবে । এই সময়ে আপনি চাইলে সীতাকুণ্ডের আশেপাশের আরও অনেক দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারবেন । গুলিয়াখালীর আশেপাশে ভ্রমণ স্থান গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত । 

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে এই সৈকতের অবস্থান ।   

বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের নামকরণ নিয়ে রয়েছে সুন্দর একটি জনশ্রুতি। এই এলাকায় অত্যধিক হারে বাঁশের ঝাড় বিদ্যমান বলে এর নামকরণ করা হয় বাশবাড়িয়া । এক সময় এখানকার প্রতিটি বাড়িতেই বাঁশের ঝাড় ছিল বল জানা যায় । 

প্রাকৃতিক সূন্দর্যের লীলাভূমি এই বাঁশবাড়ীয়ায় রয়েছে অনিন্দ্য সুন্দর সমুদ্র সৈকত । 

ঝাউ গাছের সারি, খোলামেলা পরিবেশ, জেগে উঠা সবুজ ঘাসের চর,  পিকনিক স্পট এসব মিলিয়ে বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত সেজেছে অপরুপ সৌন্দর্যে । বাশবাড়িয়া যেন ভিন্ন জগতের এক প্রশান্তি  নিয়ে অপেক্ষা করছে দর্শনার্থীদের জন্য ।

বাঁশবাড়ীয়া বেড়িবাঁধ পেরিয়ে সমুদ্র সৈকতের দিকে যেতেই বাম দিকে পড়বে দৃষ্টিনন্দন ঝাউবাগান । এর পাশে রয়েছে কেওড়া বন ও পিকনিক স্পট । নারিকেল ও ঝাউ বাগানের মধ্যে পিকনিক স্পটে দল বেঁধে বনভোজনের রয়েছে আলাদা আনন্দ । পিকনিক স্পটের পাশেই রয়েছে কাংখিত বিশাল সমুদ্র সৈকত । যেখানে দাড়িয়ে অনাবিল আনন্দে নিজেকে একাকার করে দেয়ার সুযোগ ।  

এ সৈকতের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে  সূর্যাস্ত অবলোকন । এখান থেকে সুর্যাস্তের সময় চারিদিকে অদ্ভুত এক মায়া তৈরি হয় । প্রকৃতি যেন তার বিশালতার ঢালা সাজিয়ে রাখে তখন । সৈকতে রয়েছে সুন্দর একটি লোহার ব্রীজ, যা দিয়ে হেঁটে যাওয়া যাবে সমুদ্রের উপর দিয়ে । এই ব্রিজটিই পর্যটকদের  সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করে । এছাড়া চাইলে এখান থেকে স্পিডবোট ভাড়া নিয়ে ঘুরে দেখা যাবে চারপাশের অপূর্ব সৌন্দর্য । 

কিভাবে যাবেনঃ

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ঘুরাঘুরির পর বাঁশবাড়িয়া  সিএনজি রিজার্ভ করে আসতে পারবেন । অথবা গুলিয়াখালি না গিয়েও সরাসরি ঢাকা অথবা চট্টগ্রাম থেকে বাঁশবাড়িয়া আসা যাবে । 

ঢাকা থেকে বাসে চট্রগ্রাম গামী যে কোন বাসে উঠে নামতে হবে চট্রগ্রামের সীতাকুন্ড বাজারের আগে বাঁশবাড়িয়া বাজারে । বাসের সুপারভাইজারকে  বলে রাখলেই বাঁশবাড়িয়া  বাজারে নামিয়ে দিবে । ঢাকা থেকে ট্রেনে যেতে হলে ফেনী স্টেশনে নামতে হবে। তারপর  ফেনীর মহিপাল বাসস্ট্যান্ড থেকে বাসে  বাঁশবাড়িয়া যেতে হবে । ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ৭০ টাকা ।  বাঁশবাড়িয়া বাজারে নেমে লোকাল সিএনজি দিয়ে যেতে পারবেন বাশবাড়িয়া সী বিচে । জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ২০-২৫ টাকা । 

চট্টগ্রাম থেকে আসতে চাইলে শহরের অলংকার বা এ কে খান মোড় থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার যেকোন বাস বা টেম্পুতে করে বাঁশবাড়িয়া বাজারে নামতে হবে । বাঁশবাড়িয়া বাজার পর্যন্ত ভাড়া নিবে ৩০-৪০ টাকা । বাঁশবাড়িয়া বাজার থেকে বাঁশবাড়িয়া ঘাট পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া জনপ্রতি ২০-২৫ টাকা  । 

কি খাবেনঃ 

গুলিয়াখালীর মতো এখানেও খাবারের তেমন কোন সুব্যবস্থা নেই । তবে শীতের সকালে গেলে কোন ভাবেই টাটকা খেজুরের রস চেখে দেখতে ভুলবেন না । প্রতি লিটার খরচ পড়বে মাত্র ২০-৩০ টাকা । 

কুমিরা ঘাট

চট্টগ্রামস্থ বঙ্গোপসাগরীয় দ্বীপ সন্দ্বীপ পারাপারে জন্য জনপ্রিয় ঘাট হলো কুমিরা ঘাট । সম্প্রতি নির্মিত একটি দীর্ঘ জেটির জন্য এই ঘাট যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক । তীর থেকে সমুদ্র অভ্যন্তরে ছুটে চলা অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন এক কিলোমিটার দীর্ঘ জেটিটি সহজেই যে কোনো পর্যটকের মন কাড়ে । এটার রয়েছে বিভিন্ন স্থানীয় নাম যেমন ঘাটঘর ব্রীজ, কুমিরা-সন্দ্বীপ ফেরীঘাট ব্রীজ,

এবং কুমিরা ব্রীজ় । প্রাকৃতিক নৈসর্গিক এই ঘাটের একেবারে পশ্চিম প্রান্তে গিয়ে দাড়ালে মনে হবে সমুদ্রের বুকে দাড়িয়ে আছেন । আর সেই সাথে দেখা যাবে সীতাকুণ্ডের সেই বড় বড় পাহাড় গুলো । দেখার মতো জিনিস এর মধ্যে রয়েছে শিপইয়ার্ডেরই স্ক্র্যাপ বিভাজন চলমান জাহাজ, যেটা যে কারও মন কাড়বে । সে সাথে রয়েছে দিনশেষে মাছ ধরে জেলেদের ঘাটে ফেরার প্রাণবন্ত দৃশ্য । আকাশ পরিষ্কার থাকলে সীতাকুন্ডের বিশাল পাহাড় গুলো এই জেটি থেকে দৃষ্টিগোচর হয় । সমুদ্র পাড়ে থেকে পাজাড় গুলো অবলোকন সে এক অভাবনীয় দৃশ্য । 

দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধের দিনে আলাদা ভাবে বোটে চড়ার ব্যবস্থা রাখা হয় । ভাড়া রাখা হয় জনপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা ।  

কিভাবে যাবেনঃ

চট্টগ্রামের এ কে খান মোড় অথবা অলংকার মোড় থেকে লোকাল বাসে কুমিরা ঘাটঘর রোড যেতে হবে । ভাড়া জনপ্রতি ৩০-৩৫ টাকা । কুমিরা ঘাট গজর রোড থেকে রিক্সা অথবা টমটমে যাওয়া যবে কুমিরাঘাটে । টমটম ভাড়া জনপ্রতি ১০ টাকা ও রিক্সা ভাড়া ২০ টাকা । 

আবার সরাসরি ঢাকা থেকেও কুমিরাঘাট আসা যাবে ।  চট্টগ্রামগামী যেকোন বাসে প্রথমে ছোট কুমিরা নামতে হবে । সেখান থেকে ৫টাকা অটো ভাড়া দিয়ে কুমিরাঘাট রোড আসতে হবে । কুমিরঘাট রোড থেকে রিক্সা অথবা সিএনজি করে আসা যাবে কুমিরাঘাটে । 

কোথায় থাকবেনঃ

কুমিরাঘাটঘর রোডে একটি মোটামুটি মানের হোটেল রয়েছে । চাইলে সেখানে থাকা যাবে অথবা চট্টগ্রামে ফিরে এসে সেখানে ভাল মানের হোটেল গুলোতে থাকতে পারবেন । সহজেই যেকোন হোটেল বুকিং করার জন্য যোগাযোগ করুন www.amarroom.com এর সাথে । 

ভাটিয়ারীঃ  

সমুদ্র আর পাহাড়ে ঘেরা ভাটিয়ারী  ভ্রমণপিপাসুদের জন্য একটি তীর্থস্থান । এটি চট্টগ্রাম জেলার সদর উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের অন্তর্গত একটি এলাকা ।

প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি চট্টগ্রামকে পরিপূর্ণ করেছে ভাটিয়ারী । বর্ণিল সাজে সজ্জিত চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক স্থান সমূহের মধ্যে ভাটিয়ারী সবথকে দৃষ্টিনন্দন । 

ভাটিয়ারী যাওয়ার রাস্তা দেখে যেন মনে হয় এক মিনি পার্বত্য অঞ্চল । চারিপাশে ছোট ছোট টিলা, তার মাঝ দিয়ে চলে গেছে আকা-বাকা, উচু নিচু রাস্তা ।  

ভাটিয়ারীতে রয়েছে ভাটিয়ারী সানসেট পয়েন্ট, ভাটিয়ারী ক্যাফে ২৪, ভাটিয়ারী লেক, ভাটিয়ারী গলফ ক্লাব, ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত এডভেঞ্চার ট্রেইল । 

ভাটিয়ারী সানসেট পয়েন্ট বাংলাদেশ আর্মি পরিচালিত অনন্য সুন্দর একটি রেস্তোরা । যেখানে দাঁড়িয়ে দূর সাগরের সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারবেন অনায়াসে । 

সানসেট পয়েন্ট থেকে দেখতে পাওয়া যায় সবুজ গলিচাময় ভাটিয়ারী গলফ ক্লাব । অনুমতি সাপেক্ষে সেখান থেকেও ঘুরে আসা যাবে ।  প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে গড়ে ওঠা ভাটিয়ারী গলফ এ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব দেশের প্রায় ১২টি গলফ ক্লাবের মধ্যে অন্যতম।   

তারপর দেখে আসতে পারেন অনাবিল রূপমাধুর্য্যের ভাটিয়ারী লেক । সর্ব সাধারণের জন্য উম্মুক্ত এই অনিন্দ্য সুন্দর এই লেকটিতে   চাইলে প্যাডেল নৌকা অথবা ইঞ্জিল চালিত নৌকা নিয়ে লেকের চার পাশে ঘুরে দেখা যাবে । চারিদিকে পাহাড়ে ঘেরা এই লেকের মধ্যে ঘুরাঘুরি দিবে অনাবিল আনন্দ । 

কিভাবে যাবেনঃ

চট্টগ্রাম শহরের অলংকার মোড় থেকে ভাটিয়ারীর দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৮ কিলোমিটার।

চট্টগ্রাম শহর থেকে সরাসরি লোকাল সিএনজিতে করে ভাটিয়ারী যাওয়া যায় । ভাড়া জনপ্রতি ৩০-৪০ টাকা ।  চাইলে লোকাল বাসেও যাওয়া যাবে ।  সেক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ১৫ থেকে ২০ টাকা । 

কোথায় থাকবেনঃ

চট্টগ্রাম শহরের কাছেই ভাটিয়ারীর অবস্থান হওয়ায় খুব সহজেই চট্টগ্রামের ভাল মানের হোটেল গুলোতে থাকা যাবে ।  www.amarroom.com থেকে খুব সহজেই হোটেল বুকিং করতে পারবেন ।

amarroom