Travel

খাগড়াছড়ি, ঐশ্বর্য্যময় সৌন্দর্য্যের অহঙ্কার !

khagrachori3

ঐশ্বর্য্যময় সৌন্দর্য্যের অহঙ্কার খাগড়াছড়ি জেলা । ঝর্ণা ও পাহাড়ের অসম্ভব সুন্দর মিশেলের এই পাহাড়ি জেলা । অনিন্দ্য সুন্দর প্রকৃতির এক অনবদ্য রূপ নিয়ে গড়ে ওঠেছে  খাগড়াছড়ি । এখানকার প্রকৃতিতে গাঢ় সবুজ পাহাড়, ঝিরঝির শব্দের ঝর্ণা, ওপরে সুনীল আকাশ, পাহড়ের মাঝে মাঝে শুভ্র মেঘ, সবকিছু মিলেমিশে একাকার হয়ে এক জন্ম দিয়েছে অপার্থিব সৌন্দর্য্যের । খাগড়াছড়ির প্রবেশ পথেই চোখে পড়বে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র । আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র বাংলাদেশের একটি অন্যতম ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটন স্পট । এরকম জায়গা বাংলাদেশের আর কোথাও নেই । এই পর্যটন কেন্দ্রে রয়েছে গা ছমছম করা একটি সুড়ঙ্গ । সুড়ঙ্গপথ দিয়ে নিচে নামতে নামতে গায়ের লোম দাড়িয়ে যায় । মনে হয় নিঃশব্দ অচিন কোন রাজ্যতে হারিয়ে যাচ্ছেন যেখানে আর কেউ থাকেনা । রোমাঞ্চকর এই জায়গাতে ক্ষণে ক্ষণে রোমাঞ্চিত হতে হবে । শুধু এই পর্যটন কেন্দ্রই নয় রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান যেখানে গেলে পাওয়া যাবে শত বর্ষের সজীবতা । শহরের ধুলাময় জীবন থেকে একমুঠো শান্তির পরশ খোঁজে পেতে পার্বত্য খাগড়াছড়ির জুড়ি নেই । এক চিলতে রোদের ফাঁকে সবুজের সমারোহ মনে আঁকে শান্তির ছায়া । পাহাড় আর মেঘের মিতালী দেখতে দেখতে হারিয়ে যাবেন অদ্ভুত শান্তির রাজ্যে । সকল কোলাহল আর ব্যস্ততা ভূলিয়ে প্রকৃতি দিবে সুশীতল শান্তির পরশ । চরম পুলকে ভরে উঠবে মন । স্নিগ্ধ বিকেলের পাহাড়ি ফুরফুরে বাতাস রাঙিয়ে দিবে যে কারো মন । অসহিষ্ণু মনকেও দিবে শীতল এক অনুভূতি । মায়াবি পরিবেশে পাথর হয়ে যাওয়া হৃদয়ও পাবে অপরূপ পূর্ণতা । 

খাগড়াছড়ির অবস্থানঃ 

চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন পাহাড়ি এই জেলাটি দেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত । ৫ লাখেরও বেশি জনসংখ্যার এ জেলার আয়তন ১০৪২ বর্গমাইল । এর নামকরণেরও রয়েছে সুন্দর একটি গল্প। খাগড়াছড়ি একটি নদীর নাম ছিল । নদীর পাড়ে ছিল খাগড়ার বিশাল বন । পরবর্তীতে সেই বিশাল বন কেটে পরিষ্কার করে জনবসতি গড়ে উঠে । তখন থেকেই এটি খাগড়াছড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে । 

দর্শনীয় স্থানসমূহঃ

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে দর্শনীয় স্থানের ছড়াছড়ি । পাহাড় ও ঝর্ণার অপূর্ব মিশেল এই অঞ্চলের । এই পর্বে রয়েছে পাহাড়ি দর্শনীয় স্থানগুলির বর্ণনা ।
আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রঃ
বাংলাদেশের সবথেকে ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটন কেন্দ্র হল আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র । মূল শহর হতে ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে এর অবস্থান । আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে রয়েছে সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার ও প্রাকৃতিক রহস্যে ঘেরা রোমাঞ্চকর একটি গুহা । রয়েছে ৩ হাজার ফুট উচ্চতা সম্পন্ন আলুটিলা পাহাড় । পাহাড়ের পাশেই অবস্থান আলুটিলার গুহার । স্থানীয়রা এই গুহাকে ডাকেন “মাতাই হাকড়” বা দেবতার গুহা । তাদের বিশ্বাস এই গুহায় কোন এক সময় দেবতার আবাস ছিল । 

এই গুহাটির তলদেশে  প্রবাহমান ঝর্ণা রয়েছে । এই ঝর্ণার জন্যই গুহাটিকে রহস্যময় গুহা ডাকা হয় । 

শীতল ও অন্ধকার এই গুহাটিতে প্রবেশকালে একমাত্র আলোর উৎস সাথে নেয়া আগুনের মশাল । গুহার সুড়ঙ্গপথ অনেক পিচ্ছিল তাই খুব সাবধানে পা ফেলে যেতে হয় । একটু এদিক সেদিক হলেই দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে । টানেলের মতো দেখতে গুহাটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ ফুট । গুহাটির উচ্চতা কিছু জায়গায় অনেক কম থাকার ফলে হামাগুড়ি দিয়েও যেতে হবে । রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষের জন্য এটি বরং বেশি আনন্দের । ২৬৬টি সিড়ি বেয়ে নিচে নামতে নামতে অসাধারণ রোমাঞ্চের স্বাক্ষী হয়ে থাকবেন আজীবন । 

পর্যটন কেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ার অপেক্ষা করছে আরেক বিষ্ময় নিয়ে । এখান থেকেই পুরো অঞ্চলের সব থেকে সুন্দর ভিউ পাওয়া যায় । ওয়াচ টাওয়ার থেকে দূরে তাকালেই দেখতে পাওয়া যায় খাগড়াছড়ি শহর, আকাশ আর পাহাড়ের সৌন্দর্য্য । এই সৌন্দর্য্যে মুগ্ধ হবেনা এমন কঠিন হৃদয় নেই কারো। ওয়াচ টাওয়ার থেকে খাগড়াছড়িকে মনে হবে এক টুকরো দার্জিলিং । মনে হবে প্রকৃতির সকল রূপসুধা যেন চোখের সামনেই ধরা দিয়েছে । 

কিভাবে যাবেনঃ 

খাগড়াছড়ি সদর থেকে বাস, চান্দের গাড়ি অথবা অটোরিকশা করে আসা যাবে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে । ২০ টাকা মূল্যের টিকিট কেটে আলুটিলায় প্রবেশ করে মশাল কিনে নিতে হবে । অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য সাথে টর্চ লাইট থাকলে ভাল হবে । গুহার পাথুরে সিড়ি গুলো অনেক পিচ্ছিল তাই পা পিছলে যায় এরকম জুতা পরিহার করাই বাঞ্চনীয় ।  

রিসাং ঝর্ণাঃ 

পাহাড়ি খাগড়াছড়ির অন্যন্য রূপকে আরো অধিক সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে রিছাং ঝর্ণা । খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার সাপমারা গ্রামে অবস্থিত এই পাহাড়ি ঝর্ণাটি প্রকৃতির অনন্য এক শৈলী । খাগড়াছড়ি শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের এই ঝর্ণার উচ্চতা প্রায় ১০০ ফুট ।  

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে গেলেই ঝর্ণার কলধ্বণি শুনতে পাওয়া যায় । নিজস্ব পরিবহন নিয়ে  অনায়াসেই চলে যাওয়া যায় একেবারে ঝর্ণার পাদদেশে । সামান্য পায়ে হাঁটা পথ যাত্রার আকর্ষণকে বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ । উঁচু পাহাড়ের গা ঘেঁষে পায়ে হেঁটে যেতে যেতে যে কারো দৃষ্টি আটকে যাবে পাহাড়ী সবুজের পরতে পরতে । এখানকার পুরোটা পরিবেশই পাথুরে । পাহাড়ের প্রায় ১০০ ফুট উপর হতে ঝর্নার পানি নিচে পড়ছে । নিচে পড়ার পর তা আবার আরও ১০০ ফুট পাথরের ওপর গড়িয়ে নেমে আসে সমতলে । পানির গতিপথ ঢালু হওয়ায় প্রাকৃতিক ওয়াটার স্লাইডিং এর সৃষ্টি হয়েছে, যা এই ঝর্ণার প্রধান আর্কষণ । এই বৈশিষ্ট্য একে অনন্য এক স্বকীয় রূপ দিয়েছে যা কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে যায় ।

কিভাবে যাবেনঃ

জেলা শহর হতে হেরিংবোন রাস্তায় জীপ, প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস করে ঝর্ণায়  যাতায়াত করা যায় । জেলা সদর থেকে আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র পেরিয়ে সামান্য পশ্চিমে মূল রাস্তা থেকে উত্তরে ঝর্ণার দূরত্ব সাকুল্যে প্রায় ১০ কিলোমিটার ।


শান্তিপুর অরণ্য কুটিরঃ 

বিশাল অরণ্যের মাঝে এক কুটির । নাম শান্তিপুর অরণ্য কুটির । খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় অবস্থিত এই শান্তিপুর অরণ্য কুটির । ৬৫ একর অরণ্যবেষ্টিত ভূমিতে এই কুটিরের অবস্থান । বৌদ্ধ ভিক্ষুরা নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে ধ্যান করার জন্য কুটিরটি ব্যবহার করতেন । এটি মূলত একটি বৌদ্ধ মন্দির । এই মন্দিরে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও বাংলাদেশের সবথেকে বড় বুদ্ধ মূর্তি । ১৯৯৯ সালে নির্মিত হয়েছিল বুদ্ধের এই মুর্তিটি । ৫০ ফুট উচ্চতার মূর্তিটি তৈরি করতে সময় লেগেছিল প্রায় ৪ বছর । কুঠিরের সামনে রয়েছে সুবিশাল মাঠ । কুঠিরটি বিভিন্ন গাছ গাছালিতে আচ্ছাদিত রয়েছে । এর মধ্যে রয়েছে আগর, মেহগনি, রাবার, তেজপাতাসহ অসংখ্য বনজ গাছ গাছালি । 

প্রতিবছর এই মন্দিরে বৌদ্ধ পুর্নিমা পালন করা হয় । তখন পুন্যার্থীদের ঢল নামে শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে । সব থেকে বেশি মানুষের সমাগম ঘটে চিবর দান উৎসবে । প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেয় এই উৎসবে । 


কিভাবে যাবেনঃ 

খাগড়াছড়ি থেকে পানছড়ির দূরত্ব প্রায় ২৫ কিলোমিটার । লোকাল বাস,সিএনজি অথবা মোটর সাইকেল যোগে পানছড়িতে আসতে হবে । পানছড়ি থেকে জীপ অথবা কার দিয়ে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শান্তিপুর আসতে হবে । সেখানেই রয়েছে শান্তিপুর অরণ্য কুটির । 

নিউজিল্যান্ড পাড়াঃ

বাংলাদেশে নিউজিল্যান্ড ! তাও কি সম্ভব?  অসম্ভবের মতো শুনালেও অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য খাগড়াছড়ি সদরের একটি পাড়াকে নিউজিল্যান্ড পাড়া ডাকা হয় । খাগড়াছড়ি সদর থেকে নিউজিল্যান্ড পাড়ার দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার । পানখাইয়া পাড়া থেকে বেরিয়ে পেরাছড়া গ্রামের দিকে যাওয়ার রাস্তাটাই হলো সেই নিউজিল্যান্ড সড়ক ।

সড়কের দুই পাশে দিগন্ত জোড়া সবুজ ক্ষেত খামার পর্যটকদের মনে অন্য রকম দোলা দেয় । বিস্তৃত সবুজ শস্যক্ষেত আর দূরের পাহাড়ের সারির মিতালি সৃষ্টি করেছে নান্দনিক এক সৌন্দর্য্য । নৈসর্গিক এ সৌন্দর্যের কারণে দিনে দিনে নিউজিল্যান্ড পাড়ার সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে দেশ থেকে দেশান্তরে । অনিন্দ্য সুন্দর প্রকৃতির এক অনবদ্য উপহার এই নিউজিল্যান্ড পাড়া । যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ শস্য ক্ষেত্র, দূরের দৃষ্টি সীমানায় আছে সারি সারি উঁচু পাহাড় । পাহাড়ের চূড়া যেন লেগে আছে ঠিক আকাশের সীমানায় । আকাশ, পাহাড়, মেঘ আর সবুজের সমারোহ তৈরি করে নৈসর্গিক এক রুপকথার রাজ্য । যে রাজ্যে হারিয়ে যেতে নেই কোন মানা, নেই কোন বারণ । সেই মায়াবি রাজ্যে হারিয়ে যেতে যেতে মনে হবে, আহা ! জীবন কত সুন্দর । চারপাশের এই সবুজ স্নিগ্ধ রূপ দেখে বিমোহিত হবেনা এমন মানুষ এ পৃথিবীতে পাওয়া যাবেনা । 

কিভাবে যাবেনঃ

খাগড়াছড়ি বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশা যোগে মাত্র ১০ মিনিটেই চলে যাওয়া যাবে নিউজিল্যান্ড পাড়ায় । 

হাতিমাথা বা হাতিমুড়াঃ

সামনে বিশাল পাহাড় । পাহাড় বেয়ে উঠে গেছে আঁকাবাঁকা সিড়ি । ৩০৮টি সিড়ি ডিঙ্গিয়ে যেতে হবে পাহাড়ের ওপাশের গ্রামে । হ্যা, এরকমই রোমাঞ্চকর জায়গা খাগড়াছড়ির পেনাছড়া ইউনিয়ন । এই ইউনিয়নে পৌঁছানো আরেক কষ্টের কাজ । মূল সড়ক থেকে প্রায় দেড় ঘন্টা ছোট ছোট টিলার ওপর দিয়ে ট্র‍্যাকিং করে তারপর আসতে হয় পেনাছড়া । 

চাকমা ভাষায় হাতিমাথা রাস্তাকে ডাকা হয় এদি সিরে মোন । এই রাস্তাটি স্বর্গের সিড়ি বলেও স্থানীয়দের কাছে পরিচিত । দুর্গম এই পাহাড় ডিঙ্গিয়ে পেনাছড়ার ১৫টি গ্রামের বাসিন্দারা প্রতিদিন যাতায়াত করেন । 

কিভাবে যাবেনঃ

দুর্গম এই সিড়ি দিয়ে ওঠার স্বাদ আস্বাদন করতে হলে প্রায় দেড় ঘন্টার লম্বা রাস্তা ট্র‍্যাকিং করে পাড়ি দিতে হবে । খাগড়াছড়ি সদর থেকে পানছড়ির লোকাল বাসে উঠতে হবে । তারপর জামতলী যাত্রী ছাউনির পাশে নামতে হবে । তারপর চেঙ্গি নদী পার হয়ে দেড় ঘন্টার ট্র‍্যাকিং শেষে পাওয়া যাবে বহু আকাঙখিত হাতিমাথা । 


হার্টিকালচার পার্কঃ 

খাগড়াছড়ি জেলার জিরোমাইলে অবস্থিত হার্টিকালচার পার্ক । অসাধারণ মনোরম পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে এই পার্কটি । হার্টিকালচার পার্কে রয়েছে অদ্ভুত সুন্দর একটি ঝুলন্ত ব্রিজ । রয়েছে শহরের ভিউ দেখার জন্য সুউচ্চ একটি ওয়াচ টাওয়ার । পার্কটিতে আরো রয়েছে মনোমুগ্ধকর একটি সুইমিংপুল ।

কিভাবে যাবেনঃ

খাগড়াছড়ি সদর বাজার হতে অটোরিক্সা অথবা রিক্সাযোগে অল্প সময়েই পৌঁছে যাওয়া যাবে হার্টিকালচার পার্কে । অটোরিক্সায় জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ১০ টাকা । পার্কের প্রবেশ মূল্য মাত্র ২০ টাকা ।

ভাষা উৎসবঃ
সরকারি ভাষা হিসেবে এখানে  বাংলা ভাষা প্রচলিত । স্থানীয় বাঙালিরা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে । এছাড়াও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে । চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা ইত্যাদি প্রচলিত ভাষা রয়েছে ।

ভাষার পাশাপাশি এসব নৃগোষ্ঠীর আলাদা আলাদা উৎসব রয়েছে । চাকমাদের উৎসবের নাম বিঝু উৎসব, মারমাদের সাংগ্রাই উৎসব এবং ত্রিপুরাদের বৈসাবী উৎসব ।

কি খাবেনঃ

খাগড়াছড়ির বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী স্থানীয় খাবার রয়েছে । এই সব গুলোই পাওয়া যাবে ঐতিহ্যবাহী সিস্টেম রেস্তোরায় । এই রেস্টুরেন্টটি পানখাই পাড়ায় অবস্থিত । 

কোথায় থাকবেনঃ 

খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন মানের হোটেল রয়েছে । সব থেকে ভাল মানের হোটেল হচ্ছে খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেল । এখানে এসি বা নন এসি রুম পাওয়া যায় । রুম ভাড়াও খুবই সীমিত । পর্যটন মোটেল ছাড়াও রয়েছে হোটেল ইকো ছড়ি ইন, হোটেল শৈল সুবর্ন, হোটেল জেরিন, হোটেল লবিয়ত, হোটেল শিল্পী ইত্যাদি । আপনার পছন্দমতো যেকোন হোটেলই বুকিং করতে যোগাযোগ করুন www.amarroom.com এর সাথে । নিরবচ্ছিন্ন সেবায় আমরা সবসময় আছি আপনাদের পাশে ।

amarroom