Travel

কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহার

5700488590_a1ac040639_h

শালবন বিহারঃ

ইতিহাস বিষয়ে জানতে ইচ্ছুক ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শনগুলো বরাবরই পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে । এরকমই একটি নিদর্শন হলো কুমিল্লার শালবন বৌদ্ধ বিহার । বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার এই  নিদর্শনটি কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে অবস্থিত । কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি প্রত্নস্থলের অসংখ্য প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি এই শালবন বৌদ্ধ বিহার । প্রচলিত যে, খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন । কোটবাড়িতে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান । বিহারের চারপাশে অসংখ্য শাল গজারির বন ছিল বিধায় এর নাম রাখা হয়েছিল শালবন বিহার । তবে এখন আর সেই শাল গাছের বন নেই , শুধু অংশ বিশেষ রয়ে গেছে । শালবন বৌদ্ধ বিহার পাহাড়পুর বিহারের মতোই কিন্তু আকারে ছোট । মূলত এটি ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের ধর্মচর্চা এবং বিদ্যা নিকেতন কেন্দ্র । প্রত্নতাত্ত্বিক খননের সময় এই বিহার থেকে ৮টি তাম্রলিপি, ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়ামাটির ফলক , টেরাকোটা এবং ব্রোঞ্জমূর্তি পাওয়া যায় । নিজের ইতিহাসকে জানার জন্য অবশ্যই এই বিহার একটি চমৎকার একটি জায়গা ।

টিকেট মূল্যঃ

শালবন বিহারে প্রবেশপথে টিকেট মূল্য বেশ বৈচিত্র্যের । বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জনপ্রতি ২০ টাকা । ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য টিকেট মূল্য ৫ টাকা । বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে- সার্কভূক্ত দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকের ক্ষেত্রে টিকেট মূল্য ২০০ টাকা ।

কিভাবে যাবেন শালবন বিহারঃ

ঢাকা থেকে সরাসরি কুমিল্লার বাস আছে, সময় লাগতে পারে সর্বোচ্চ ২ ঘন্টা । অসংখ্য বাস কোম্পানি রয়েছে যাতায়াতের জন্য । তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইউনিক, শ্যামলি, এনা, হানিফ ইত্যাদি । ট্রেনযোগেও খুব সহজে কুমিল্লায় যাওয়া যায় । শ্রেণীভেদে টিকেট মূল্য ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা ।

যদি কেউ চট্টগ্রাম থেকে আসেন, সেক্ষেত্রেও বাসযোগে খুব সহজে আসতে পারেন এবং সময় ব্যয় হবে মাত্র সাড়ে ৪ ঘন্টা । এক্ষেত্রে অবশ্য ট্রেনে যাতায়াত সুবিধাজনক, কারণ সময় ব্যয় হয় মাত্র তিন ঘন্টা । সেইসাথে টিকেট খরচও কম । 

কুমিল্লা থেকে টমছম ব্রীজ বাস স্ট্যান্ড থেকে ১০ টাকা দিয়ে লোকাল সিএনজি করে কুমিল্লা কোটবাড়িতে যাবেন । এরপর ৫ টাকা ভাড়া দিয়ে চলে যাবেন শালবন বিহার ।

আনন্দ বিহারঃ

কুমিল্লা জেলা সদরের কোটবাড়ির ময়নামতিতে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীন স্থাপত্য আনন্দ বিহার । আনন্দ বিহারের বিশেষত্ব হলো এই মন্দিরটি ছিলো উপমহাদেশের সর্বশেষ বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় । এর কাঠামোগত গঠন পাহাড়পুড় বৌদ্ধ বিহারের মতো । এটি চারকোণা আকৃতির এবং প্রতিটা বাহুর দৈর্ঘ্য ৯ মিটার ।  বিহারের মাঝখানে বিশাল আঙ্গিনায় বিস্তৃত রয়েছে এক ঝাকালো মন্দির যার চারপাশে ঘিরে প্রতিটা বাহুতে সন্যাসীদের কক্ষ সুবিন্যস্ত ছিল । মন্দিরের উত্তরদিকে ঠিক মাঝখানে  পরিলক্ষিত প্রবেশদ্বারটি বিহারের একমাত্র প্রবেশপথ । আনন্দবিহারের খননকাজ এখনও সম্পূর্ণ শেষ হয়নি, অনেক অংশেই খনন করা হয়নি । ধারণা করা  হয় যে, এটি শালবন বিহার এর চেয়ে আকারে বড় এবং বিস্তৃত  । খনন কাজের সময় এখন পর্যন্ত  ৬৩ টি রৌপ্য মুদ্রা, অনেক গুলো ব্রোঞ্জ মূর্তি , পোড়ামাটির ভাস্কর্য ফলক এবং মঠের বাইরে মৃৎপাত্র পোড়ানোর কাজে ব্যবহৃত একটি ভাঁটি পাওয়া যায় । ধারণা করা হয় সমতট এর রাজধানী ছিল আনন্দ বিহার । আনন্দ বিহারের  উত্তর-পূর্ব দিকে বিশাল এক দিঘী রয়েছে যা আনন্দ রাজার দিঘী নামে পরিচিত।

কিভাবে যাবেনঃ

কুমিল্লায় আসার পর আপনি কুমিল্লা বিশ্বরোড থেকে কোটবাড়ি চলে যেতে পারেন সিএনজি বা অটোরিকশা নিয়ে । আর কুমিল্লা শহরে টমছম ব্রীজ থেকেও সি এনজি নিয়ে যাওয়া যায় এই বিহারে ।

ধর্মসাগর দিঘীঃ

বাংলাদেশে সাগর নামে যত দিঘী রয়েছে  তন্মধ্যে প্রধান কুমিল্লার ধর্মসাগর দিঘী । ধর্মসাগর বলে পরিচিত এই ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে রয়েছে বহু উপাখ্যান ও উপকথা । কুমিল্লা একসময় ত্রিপুরার  অধীনে ছিল এবং ত্রিপুরার অধিপতি মহারাজা প্রথম ধর্মাণিক্য ১৪৫৮ সালে ধর্মগসাগর খনন করেন । ১৪৫৮ সালে দূর্ভিক্ষ চলাকালীন সময়ে প্রজাদের পানির তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তিনি এই দিঘী নির্মাণ করেন । দিঘিপাড়ের সবুজ বড় বড় গাছের সারি ধর্মসাগরকে করেছে স্নিগ্ধ । থরথর বড় গাছের মাঝখানে  আছে সিমেন্টের বেঞ্চি । আর তাই ধর্মসাগরের পাড় খুব সুন্দরভাবে ঢেলে সাজানো হয়েছে যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে । ১৮ একরের এই দিঘীর উত্তর কোণে রয়েছে রাণীর কুঠির, পৌরপার্ক, পূর্বে কুমিল্লা স্টেডিয়াম ও কুমিল্লা জিলা স্কুল আর পশ্চিম পাড়ে বসার জন্য সুব্যবস্থা আছে ।  বিশ্রামের জন্য বাঁধানো আছে বেদী যার নাম অবকাশ ।  আপনি চাইলে নৌকায় দিঘী ঘুরতে পারেন । শীতকালে এই দিঘীতে  অসংখ্য অতিথি পাখি আসে যা পর্যটকদের মন কাড়ে । অবকাশ উদযাপন আর ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য ধর্মসাগর হতে পারে আপনার চমৎকার পছন্দ । তাই সময় পেলে ঘুরে আসুন ধর্মসাগর দিঘী ।

কিভাবে যাবেনঃ 

কুমিল্লার শাসনগাছায় নামার পর অটো বা রিকশা নিয়ে চলে যাবেন বাদুরতলা  যেখানে ধর্মসাগর অবস্থিত । ভাড়া পড়বে পনের থেকে বিশ টাকা ।

কুমিল্লার জাহাপুর জমিদার বাড়িঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে গোমতি বিধৌত জাহাপুর এ দাড়িয়ে আছে ৪০০ বছরের প্রাচীন এক জমিদার বাড়ি । বাড়িটির জমিদারি প্রতিষ্ঠিত হয় আঠারশত বাষট্টি সালের দিকে কিন্ত  জমিদার বাড়ির বংশধররা প্রায় চারশত বছর আগেই এখানে বসতি স্থাপন করেন । জমিদার গৌরি মোহন জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার ভাই রাম দয়াল ও কমলাকান্ত তাকে এ ব্যপারে সাহায্য করেন । জমিদার বাড়িতে ঢুকতে দেখা যায় ২ টি সিংহ নিস্তব্ধে অভিবাদন জানাচ্ছে  । এই জমিদার বাড়িতে মোট ১০টি প্রাসাদ আছে । প্রাসাদ গুলোর মধ্যে প্রথম ভবনটি তিনতলা আর সবগুলোই দুইতলা  । ভবনগুলোর মধ্যে ২ টি ভবন প্রায় ধ্বংসের পথে এবং বাকি ভবনগুলো মোটামুটি ঠিক আছে । জমিদার বাড়ির ব্যবহৃত বিভিন্ন আসবাবপত্র এখনো টিকে আছে কারন  জমিদার বাড়ির এগারোতম বংশধররা এখনো এখানে বসবাস করছেন । ভবনগুলো ইংরেজি বর্ণ L এবং  I ধাঁচে করা হয়েছে । এই জমিদার বাড়ির সকল জমিদারদের নাম জমিদার বাড়ির শ্মশানে তাদের সমাধিতে উল্লেখ আছে । এর মধ্যে আছেন গৌরি মোহন রায়, রামকৃষ্ণ রায়, রাম মোহন রায়, অশ্বীনি কুমার রায় ও গীরিশ চন্দ্র রায় । এছাড়াও জমিদারদের কয়েকজন স্ত্রীর নাম জানা যায় । তারা হলেন রাণী নন্দ রাণী, মহামায়া রায়, ও শ্যামা সুন্দরী দেবী । রাণী মহলের সামনে একটি পুকুর ছিল, রাণীরা এই পুকুরটিতে জাফরান  মিশিয়ে গোসল করতেন । বর্তমানে জমিদার বংশধরের মধ্যে শ্রী আশীষ কুমার রায়, সমরেন্দ্র রায়, অজিত কুমার রায়, প্রফেসর অঞ্জন কুমার রায়, অধ্যক্ষ রঞ্জন কুমার রায় ও তাদের পরিবারবর্গ রয়েছেন । 

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকার সায়েদাবাদ থেকে কুমিল্লা অথবা কোম্পানীগঞ্জগামী বিভিন্ন বাস ছাড়ে । ময়নামতি সংলগ্ন ক্যান্টেনমেন্টে পৌঁছাবেন কুমিল্লা শহরের আগে মাত্র ২ ঘণ্টায় । কোম্পানীগঞ্জের বাসে উঠলে আর বাস পরিবর্তন করতে হবে না । কুমিল্লার বাসে উঠলে ময়নামতিতে নামতে হবে । এখান থেকে আবার কোম্পানীগঞ্জের বাসে উঠে দেবিদ্বারের পান্নারপুলে নামতে হয় । সেখান থেকে বাখরাবাদ রোডে ১০ কিলোমিটার গেলেই জাহাপুর জমিদার বাড়ির অবস্থান ।

ময়নামতী ওয়ার সিমেট্রিঃ

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি কুমিল্লা  জেলায় অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি যা ১৯৪১-১৯৪৫ সালে বার্মায় সংঘটিত ২য় বিশ্বযুদ্ধ । যে যুদ্ধে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন । তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে তৈরি করা হয়েছিল এই সৌধটি । ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে এই সমাধি তৈরি করা হয় । এখানে ৭৩৬ টি কবর রয়েছে যার মধ্যে ৭২৩ টির পরিচয় জানা যায় । সমাধিক্ষেত্রটির প্রবেশমুখে একটি তোরণ ঘর, যার ভিতরের দেয়ালে এই সমাধিক্ষেত্রের ইতিহাস ও বিবরণ ইংরেজি ও বাংলায় লিপিবদ্ধ করা রয়েছে । প্রতিবছর প্রচুর দর্শনার্থী যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি সম্মান জানাতে এসকল রণ সমাধিক্ষেত্রে আসেন । এই সিমেট্রিতে  ২৩ জন বিমানসৈনিকের একটি গণকবর আছে ।

কিভাবে যাবেনঃ

কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে এটি অবস্থিত ।

যে কোন কুমিল্লাগামী বাস এ করে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে নামতে হবে । সেখান থেকে উত্তরে রাস্তা ধরে যে কোন বাহনে করে চলে যাবেন ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি । ভাড়া লাগবে ১০ টাকা জন প্রতি ।

চন্ডীমুড়াঃ

চন্ডীমুড়া কুমিল্লা জেলা সদরে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা এবং শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । এটি মূলত একটি মন্দির এবং মন্দিরের প্রবেশ পথে রয়েছে ১৪২টি সিঁড়ি । সিঁড়ির শেষ মাথায় রয়েছে মন্দিরের প্রধান প্রবেশপথ । ধারণা করা হয় হিন্দু ধর্মের আবির্ভাবেরও পূর্বে মন্দিরটি এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল । সপ্তম শতাব্দীতে বৌদ্ধ রাজা দেব খড়গ তার স্ত্রী প্রতীভা দেবীর অনুরোধে তার স্মৃতিকে অমর করে রাখতে এখানে চন্ডী মন্দির ও এর পাশে আরও একটি শিব মন্দির নির্মাণ করেন । এখানে আলাদাভাবে পূজা আর্চনা করা হতো । বর্তমানে বিভিন্ন উৎসবে এ মন্দির প্রাঙ্গণে মেলার আয়োজন করা হয় । 

 নবাব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়িঃ

নবাব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের  কুমিল্লা  জেলার লাকসাম উপজেলায় পশ্চিমগাঁও এলাকায় অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি । ভারতবর্ষের একমাত্র মহিলা নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধূরী এই জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন । বিয়ে করেন আরেক জমিদার গাজী চৌধুরীকে । কিন্তু পরবর্তীতে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় । আর ঐ বিবাহ বিচ্ছেদের সময় পাওয়া দেনমোহরের এক লক্ষ এক টাকা দিয়ে তিনি নিজে একটি বাড়ি তৈরি করেন । ঐসময় জমিদারীর প্রশিক্ষণ নেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সাফল্যের সাথে জমিদারী পরিচালনা করতে থাকেন । তার জমিদারীর আওতায় প্রায় হোমনাবাদ পরগণার বর্তমান সময়ের কুমিল্লা জেলার মোট ১৪টি মৌজা ছিল । ১৪টি মৌজাতে রাজস্ব আদায়ের জন্য ১৪টি কাছারিঘর ছিল । তিনি ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী জমিদার । বিশেষ করে নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন বেশি মনোযোগী । তার জমিদারীর অধিকাংশ আয় এই নারী শিক্ষার পিছনে ব্যয় করতেন । তার এই সাহসী উদ্যোগ ও সাফল্যের কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ রানী ভিক্টোরিয়া তাকে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে “নওয়াব” উপাধিতে ভূষিত করেন । যা পুরো ভারত উপমহাদেশে একমাত্র মহিলা হিসেবে তিনি এই উপাধি পান ।এই জমিদার বাড়িটি ডাকাতীয়া নদীর তীরে অবস্থিত । বাড়িটিতে একটি প্রবেশদ্বার, বসবাসের জন্য দ্বিতল বিশিষ্ট ভবন, একটি কাছারিঘর, বাগানবাড়ি, মসজিদ ও কবরস্থান রয়েছে।

কোথায় থাকবেনঃ 

কুমিল্লা শহরে ভাল মানের বেশ কিছু হোটেল রয়েছে । এসব হোটেলে থেকে খাবারেরও সুব্যবস্থা রয়েছে । আপনার পছন্দের যেকোন হোটেল আগে থেকেই বুকিং করে রাখতে পারেন । সেক্ষেত্রে www.amarroom.com এর সহযোগিতা নিতে পারেন । এখান থেকে দেশের যেকোনো যায়গার হোটেল রুম খুব সহজেই বুকিং করা যায় ।

amarroom