Travel

সুনামগঞ্জ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের বিশাল সমাহার !

sunamganj

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের বিশাল সমাহার নিয়ে সেজে আছে দেশের উত্তর পূর্বে অবস্থিত সুনামগঞ্জ জেলা । যুগে যুগে এখানে জন্ম হয়েছে কবি, গায়ক ও সাধকদের । তাদের গুণের কারণেই সুনামগঞ্জ পূর্ণতা পেয়েছে তার নামকরণের স্বার্থকতা । শুধু গুণীজনদের কারণেই নয়, বিধাতা সুনামগঞ্জকে দুহাত ভরে দিয়েছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য । 

অসংখ্য অগণিত প্রাকৃতিক দৃশ্য নিয়ে ভ্রমণপিপাসু মানুষদের জন্য ঠায় দাড়িয়ে আছে ভাটি অঞ্চলের এই জেলাটি । সুনামগঞ্জ জেলার স্থানে স্থানে যেন শৈল্পিক কারুকাজের অপার সৌন্দর্য্য বিদ্যমান । বিধাতা নিজ হাতে সাজিয়েছেন অপরূপ সৌন্দর্য্যের এই লীলাভূমিকে । মন মাতানো রূপে পর্যটকদের যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে সুনামগঞ্জ জেলা । 

মেঘালয় রাজ্যের পাদদেশে অবস্থিত টাংগুয়ার হাওরে তৈরি হয় মায়া ছড়ানো রূপ । হাওরের বিশাল জলরাশি ক্ষনিকের জন্য ভুলিয়ে দেয় শত বছরের ক্লান্তি । নয়নাভিরাম প্রকৃতির দান যাদুকাটা নদী ও বারেক টিলা । বারেক টিলায় দাড়িয়ে যাদুকাটা নদী দেখতে দেখতে পাওয়া যাবে নৈসর্গিক সজীবতা ।  এর রূপ ও মহিমা বলে শেষ করা যাবেনা । বারেক টিলার অদূরেই রয়েছে শিমুল বাগান । মানবসৃষ্ট এই শিমুল বাগানের সৌন্দর্য্য মোহিত করে রাখে পর্যটকদের । শিমুল গাছের বাগান যে মনোরম পরিবেশের সৃষ্টি করেছে তার উপমা দেয়া ভার। ফাল্গুনে গাছে গাছে ফুটে আগুন লাল শিমুল । দেখে মনে হয় গাছের ডালে ডালে আগুন লেগে আছে । শীতকালে ফুল না থাকলেও সবুজের যে সমারোহ থাকে তা দেখে চোখ জোড়ায় । সবুজের সমারোহ তৈরি করে স্বর্গীয় এক পরিবেশ । শুধু প্রাকৃতিক পরিবেশই নয়, এখানে রয়েছে স্মৃতি বিজড়িত লাউড় রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ । যা ইতিহাসকে চোখের সামনে অবলোকন করার সুযোগ দিবে । 

কি কি রয়েছে সুনামগঞ্জেঃ 

সুনামগঞ্জে যেরকম মোহনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য রয়েছে তেমনি রয়েছে ঐতিহাসিক স্থান । এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জায়গা গুলো হলো- 

. টাংগুয়ার হাওরঃ 

পর্যটনে যখন সুনামগঞ্জ নাম আসে তখন চোখের সামনেই যে চিত্র ভাসে সেটা হলো টাংগুয়ার হাওর । টাংগুয়ার হাওরে নৌকা নিয়ে ঘুরে পাওয়া যাবে অনাবিল আনন্দ । নৌকায় হাওরের মাঝখানে রাত্রিযাপন দিবে অসাধারণ রোমাঞ্চের অভিজ্ঞতা । টাংগুয়ার হাওরে সিলেটের রাতারগুলের মতো রয়েছে জলার বন । আয়তনে ছোট হলেও এ সৌন্দর্য্য কোন অংশেই কম নয় । জলার বনেই পাশে রয়েছে সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার । এখান থেকেই পাওয়া যাবে টাংগুয়ার হাওরের আসল সৌন্দর্য্য অবলোকনের সুযোগ । হাওরের জলরাশি পাড়ি দিতে দিতে মেঘালয়ের পাহাড়সারি দিবে অনাবিল আনন্দ । আকাশ, পাহাড় আর হাওর যেনো মিলে একাকার হয়ে গিয়েছে । হাওরের একটি অসাধারণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে টেকেরঘাটে পানির রঙ হয়ে যায় স্বচ্ছ ও নীল । 

. জাদুকাটা নদীঃ 

নামের সাথে এর সৌন্দর্য্যের রয়েছে অসম্ভব মিল । নদীটির দিকে তাকালে অসম্ভব মায়া আর জাদুর টান তৈরি হয় । যাদুকাটা নদীর স্বচ্ছ পানির ধারা, নীল আকাশের প্রতিবিম্ব আর সবুজ পাহাড়ের অপূর্ব ক্যানভাস মোহিত করবে যে কাউকে । 

. বারেক টিলাঃ 

জাদুকাটা নদীর অপারে অবস্থিত বারেক টিলা । টিলার রুপ মাধুর্য এক কথায় অতুলনীয় । টিলার উপর থেকে জাদুকাটা নদীর দিকে তাকালে মনে হবে স্বর্গের কোন জলধারা বয়ে চলছে । বারেক টিলা বা বারিক্কা টিলা সুনামগঞ্জের অসাধারণ একটি দর্শনীয় জায়গা । টিলার চূড়া থেকে আশপাশের চোখ ধাধানো দৃশ্যগুলো দেখে শিহরণ উঠবে মনে । 

. শিমুল বাগানঃ 

এক দিকে মেঘালয়ের পর্বতমালা অন্য দিকে রূপবতী যাদুকাটা নদী । নদীর তীরেই রয়েছে তিন হাজার শিমুল গাছের বিশাল এক বাগান । বিশাল গাছের লম্বা সারি মনে প্রশান্তি আনার জন্য যথেষ্টই বটে । ফাল্গুন মাসে রক্তিম শিমুল ফুল গাছে গাছে ছেয়ে থাকে ।  বছরের এই একটি মাসেই শিমুলের রক্তলাল সৌন্দর্য দেখা যায় । এছাড়াও শীতকালের সবুজের সমারোহ একদমই নিরাশ করবেনা । 

. শহীদ সিরাজ লেক বা নীলাদ্রিঃ 

বাংলার কাশ্মীর হিসেবে খ্যাত শহীদ সিরাজ লেক বা নীলাদ্রি শিমুল বাগান থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত । চমৎকার নীল পানি, ছোট বড় টিলা আর পাহাড়ের সমন্বযয়ে গড়ে ওঠা নীলাদ্রি কোন অংশেই কাশ্মীর থেকে কম নয় । চোখে না দেখলে এই লেকের অপার্থিব সৌন্দর্য্য কল্পনাও করা যাবেনা । প্রকৃতির মায়াবি এই কন্যার নীল পানি মুগ্ধ করে দেয় পর্যটকদের । 

. লাকমা ছড়াঃ 

নীলাদ্রির পাশেই অবস্থান এই ছড়ার । লাকমা    ছড়ার উৎপত্তিস্থল ভারতের মেঘালয়ে । ছড়ার উপরের দিকে বিজিবি উঠতে দেয়না । তাই ছড়ার নিচের দিক থেকে সৌন্দর্য্য অবলোকন করে সন্তুষ্ট থাকতে হবে । 

. শনির হাওরঃ

তাহিরপুর উপজেলার আরেকটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান হচ্ছে শনির হাওর । বর্ষায় এক পশলা বৃষ্টি হলেই সমুদ্রের রুপ ধারন করে হাওরটি । ছোট ছোট ডেউগুলি মারাত্মক হয়ে ওঠে বর্ষায় । আর সে কারণেই এই হাওরের নামের স্বার্থকতা পাওয়া যায় । শনির হাওরের ছলছল পানির শব্দ নূপুরের নিক্কণের চেয়েও মধুর । অপরূপ সৌন্দর্য্য নিয়ে দিগন্তজুড়ে ছেয়ে আছে রাশি রাশি জল ।

ডলুরা সমাধীসৌধঃ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর সন্তানদের সমাধিসৌধ রয়েছে সুনামগঞ্জের ডলুরায় । সীমান্তঘেষা এই সৌধ দেখতে নবীনগর থেকে খেয়া পার হয়ে হালুয়াঘাট হতে রিক্সা বা টেম্পুযোগে আসা যাবে ।

সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘরঃ 

সুনামগঞ্জ সদরেই অবস্থিত সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য যাদুঘর । পুরাতন কোর্টের সামনেই এর অবস্থান । বাস স্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেটেই চলে আসা যাবে এখানে । এখানে যানা যাবে সুনামগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য । 

হাছন রাজার বাড়ি মিউজিয়ামঃ

 সুনামগঞ্জে রয়েছে মরমী কবি হাছন রাজার স্মৃতি বিজড়িত জমিদার বাড়ী । যে জায়গায়টায় থেকে তিনি লিখিছেন শত শত ভূবন ভুলানো গান ও কবিতা ।

শাহ আব্দুল করিমের বাড়িঃ 

বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় । দিরাই উপজেলা হতে কয়েক কিলোমিটার দূরেই শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি অবস্থিত । শুষ্ক মৌসুমে গাড়ি করে আসা যায়। আর বর্ষায় আসতে হয় নৌকায় । দিরাই উপজেলা থেকে রিক্সা ভাড়া ৫০ টাকা, সি এন জি ভাড়া ২০ টাকা ও মোটর বাইক ভাড়া ৫০ টাকা । বর্ষায় নৌকা ভাড়া মাত্র ২০ টাকা ।  

ট্যুর প্ল্যানঃ

ব্যস্ততার ভীড়ে মায়াবী সুনামগঞ্জের পরিপূর্ণ রূপকে কাছে থেকে অবলোকন করতে হলে অন্তত দুইদিনের দরকার । যারা দুইদিন সময় বের করতে পারবেন না তাদেরও হতাশ হওয়ার কিছু নেই । একদিনের সুনামগঞ্জ ভ্রমণেও অনেকগুলো স্পট ঘিরে আসা সম্ভব । এক দিন ও দুইদিনের জন্য আলাদা আলাদা ট্যুর প্ল্যান দিয়ে দেয়া হলো । 

দুই দিনের ট্যুর প্ল্যানঃ 

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সরাসরি সুনামগঞ্জের বাসে ওঠে পড়তে হবে । শ্যামলী, ইউনিক, এস আলম, হানিফ ইত্যাদি বাস সরাসরি ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জে আসে । নন এসি ভাড়া পড়বে ৫০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত । রাত ১০টার বাসে ওঠলে সকাল ৬টায়ই পৌঁছে যাবেন সুনামগঞ্জ । সুনামগঞ্জ বাস স্ট্যান্ডে নেমে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা সের নিন । তারপর লেগুনা করে চলে যান তাহিরপুর বাজারে । জনপ্রতি ভাড়া নিবে ৮০ টাকা । বাজারে নেমে সরাসরি চলে যান নৌকার ঘাটে । সেখান থেকে দরদাম করে । নৌকা রিজার্ভ করে নিন একদিন এক রাতের জন্য । মাঝিকে দুপুরে ও রাতে খাবার ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য বলবেন । তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী বাজার করে নিয়ে আসুন । মাঝিকে বাজার বুঝিয়ে দিয়ে ওঠে পড়ুন নৌকায় হাওর বিলাসের উদ্দেশ্যে । 

ওয়াচ টাওয়ার ও জলাবন ঘুরে দেখে দুপুরের মধ্যে চলে যান ট্যেকেরঘাটে । যখন দেখবেন হাওরের পানি নীল রূপ ধারণ করা শুরু করেছে তখনই বুঝে নিবেন আপনি টেকেরঘাটের আশেপাশে চলে এসেছেন । পুরো হাওরের মধ্যে শুধু টেকেরঘাট এলাকার পানি স্বচ্ছ ও নীল । টেকেরঘাটে নেমে বাইক রিজার্ভ করে একই সাথে ঘুরে আসতে পারবেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থান । শিমুল বাগান, বারিক টিলা, জাদুকাটা নদীর জন্য বাইক ভাড়া নিবে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা । একটি বাইকে চালক বাদেও বসতে পারবেন দুইজন । আপনারা স্পটগুলো ঘুরে অনাবিল আনন্দ নিতে থাকবেন আর মাঝি ততক্ষণে আপনাদের জন্য রান্নাবান্না করে নিবে । নৌকায় ফিরে এসে দুপুরের ভোজন পর্ব সেরে নিন । তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আবার চলে যান নীলাদ্রি লেক ও লাকমাছড়া দেখতে । এবারে আর বাইক রিজার্ভ করা লাগবেনা । টেকেরঘাট থেকে মাত্র ১০ মিনিটের হাটা রাস্তার দূরত্ব নীলাদ্রী লেক । লেকের স্বর্গীয় রুপ অবলোকন শেষে চলে যান লাকমাছড়ায় । নীলাদ্রি লেক থেকে হেটে সময় লাগবে সর্বোচ্ছ ২০ মিনিট । লাকমাছড়া বৃষ্টির মৌসুমে অনেকটা সিলেটের বিছানাকান্দির মতো রূপ ধারণ করে । লাকমছড়ার রূপ দর্শন শেষে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসুন নৌকায় । তারপর বেরিয়ে পড়ুন হাওরের রাতের সৌন্দর্য দর্শনে। মাঝিকে বলে হাওরের মাঝখানে রাতের খাবারটা সেরে নিন । অদ্ভুদ এক পুলকে ভরে উঠবে মন । হাওরের মাঝখানে ভোজনের এরকম অভিজ্ঞতা মনে থাকবে সারাজীবন । তারপর ঘুমানোর প্রস্তুতি নিন হাওরের মাঝখানে । সকালে ফিরে আসুন তাহিরপুরে  । তাহিরপুর থেকে আগের মতো লেগুনা করে আসতে হবে সুনামগঞ্জ সদরে । তারপর  নবীনগরে এসে সুরমা নদী খেয়া যোগে পার হয়ে হালুয়াঘাট চলে যান । হালুয়াঘাট থেকে রিক্সা অথবা টেম্পু যোগে ৫/৬ কিঃ মিঃ পথ অতিক্রম করে ভারতীয় সীমান্তের কাছাকাছি ডলুরা নামক স্থানে পৌঁছতে হয়। রিক্সাভাড়া নিবে ৫০ টাকা, টেম্পু ভাড়া ২০ টাকা । ডলুরা সমাধিসৌধ দেখে ফিরে আসুন সুনামগঞ্জ সদরে । সদর থেকে চলে যান সুনামগঞ্জ পুরাতন কোর্টে । সেখানেই রয়েছে সুনামগঞ্জ ঐতিহ্য জাদুঘর । জাদুঘর ঘোরা শেষে হাসন রাজার স্মৃতি বিজড়িত জমিদার বাড়ীতে চলে যান । সুনামগঞ্জের ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকা থেকে রিক্সায় যেতে সময় লাগবে ১০-১৫ মিনিট ।  সবগুলো স্পট ঘুরা শেষে রাতের বাসে সহজেই ঢাকা ফিরতে পারবেন । 

একদিনের ট্যুর প্ল্যানঃ 

একদিনের ট্যুর প্ল্যানে সুনামগঞ্জের অনেক দর্শনীয় জায়গাগুলোকে বাদ দিতে হবে । তবে সবচেয়ে সুন্দর জায়গাগুলোর প্রায় সবকটিই একদিনে দেখা সম্ভব । ঢাকা হতে বাস যোগে সরাসরি চলে আসুন সুনামগঞ্জে । তারপর সেখান থেকে ১০ টাকা অটো ভাড়ায় চলে আসুন সুরমা ব্রিজ । সেখান থেকে বাইক রিজার্ভ করতে হবে পুরো দিনের জন্য । ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা ভাড়া পড়বে । ভাল করে দরদাম করে নিতে হবে এবং অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে কোন কোন জায়ায় যাবেন । একদিনে যাদুকাটা নদী, বারিক টিলা, শিমুল বাগান ও নিলাদ্রী লেক খুব স্বচ্ছন্দেই ঘুরে আসা যাবে । তবে হাতে সময় থাকলে নিলাদ্রী লেকের পাশেই লাকমা ছড়ায় যেতে পারেন । ঝামেলা এড়ানোর জন্য এইসব স্পটগুলিই ড্রাইভারকে প্রথমেই বলে রাখতে হবে । বলে রাখা ভাল একটি বাইকে চালক বাদে আরো দুজন বসা যাবে । 

সুনামগঞ্জ থেকে প্রথমে লাউড়ের গড় হয়ে যাদুকাটা নদীতে যেতে হবে । নদী পার হয়ে বারিক টিলার উপর থেকে যাদুকাটা নদীর রুপ দর্শন শেষে শিমুল বাগান যান । শিমুল বাগান ঘোরাঘুরির পর নীলাদ্রী লেক যান । সেখান থেকে হাতে সময় থাকলে লাকমাছড়ায় যেতে ভুলবেন না । সব জায়গা ভ্রমণ শেষে আবার আগের পথে সুনামগঞ্জ ফিরে আসুন । 

সুনামগঞ্জে থাকার ব্যবস্থাঃ 

সুনামগঞ্জে থাকার জন্য মোটামুটি মানের বেশ কয়েকটি হোটেল রয়েছে । যারা নৌকায় রাত কাটাতে পারবেন না তারা এসব হোটেলে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখতে পারবেন । বুকিং এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন আমাদের ওয়েবসাইট www.amarroom.com এ ।  আপনার পছন্দের সেরা হোটেলের সেরা রুমটিই আপনার জন্য দেয়া হবে ।

amarroom